img
Home / তারুণ্য ও আমরা / মনের অজান্তেই একটা প্রেসার চলে আসে

মনের অজান্তেই একটা প্রেসার চলে আসে

সকল ভর্তি পরীক্ষার্থীর জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।কাউন্টডাউন শুরু হলো।আর মাত্র চব্বিশ ঘন্টা।মনের অজান্তেই একটা প্রেসার চলে আসে।সমস্যাটা এখানেই।কোনো চাপ নেওয়া যাবে না।যা পড়ার আজকে দিনের ভিতর পড়ে ফেলো। আজ সেই জিনিসগুলোই বেশি পড়া উচিত যেখান থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।যারা সাধারণ জ্ঞান এখনও পড়ো নাই অন্তত বিসিএসের প্রশ্নগুলা চোখের পলকে সলভ করে যেও।এবারের নোবেল বিজয়ীদের একটু দেখে যেও। প্রশ্ন হুবুহু না আসুক কিছু টপিক বারবার ফিরে আসে।বিগত সাত-আট বছরের এডমিশন টেস্টের প্রশ্ন অবশ্যই দেখে যেয়ো।বেশি সময় লাগবে না।যাদের তাও শেষ ইংলিশ পড়তে থাকো।সিনোনিম,এন্টোনিম মনে রাখার আজকেই সুবর্ণ দিন।

ট্রান্সলেশন ,প্রিপজিশন,পার্টস অব স্পিচ,রাইট ফরম অব ভার্বস,কারেকশন,স্পেলিং সবকিছুই একটু একটু করে দেখে যাও।হতাশ হওয়ার কিছু নেই।ভাগ্যে থাকলে চান্স পাওয়া কেউ আটকাতে পারবে না।চান্স না পেলে কী হবে সেটা মাথায় ঢুকানোর দরকার নাই। পরীক্ষার স্ট্র্যাটেজি নিয়ে চিন্তা করো।রাতেই সবকিছু রেডি করে রাখো।এডমিশন টেস্টের এডমিট কার্ড,এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড/এডমিট কার্ড ,ভালো দুই-তিনটা পুরান কালির বলপেন,পেন্সিল,রাবার মাস্ট সাথে নিয়ে। জানি ডেকে তুলা লাগবে না।তবু বলি সাতটার ভিতর ঘুম থেকে উঠেই গোসল-টোসল করে ফ্রেশ হয়ে যাও।হালকা কোনো ব্রেকফাস্ট করো।বাসা যত দূরে-কাছেই থাকুক না কেনো 9:15 টার ভিতর সেন্টারে চলে যাও।

এর আগে গেলে ক্ষতি নেই। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে মাস্ট চেক করে যাবা সবকিছু সাথে নিচ্ছো কি না। রুম নাম্বার নিয়ে তড়িঘড়ি করার কিছু নাই।ভিতরে ইন্সট্রাক্টর থাকবে।সাড়ে নয়টার ভিতর সবাইকে ঢুকিয়ে ফেলবে হলের ভিতর।হলে ঢুকার পর সাড়ে নয়টা থেকে দশটা পর্যন্ত টোটাল কন্সেনট্রেশন থাকবে টিচারের দিকে।যে যে ইন্সট্রাকশন উনি বলবেন সব ফলো করবা। রোল নাম্বার, সিরিয়াল নাম্বার খুব সাবধানে ফিল আপ করো। দশটায় পরীক্ষা শুরু হলো।প্রথম পাঁচটা প্রশ্ন পারলে ভালো না পারলে হতাশ হওয়া যাবে না।আরো 95টা প্রশ্ন আছে তোমার জন্য।প্রথম আধা ঘন্টার ভিতর 1-100 পর্যন্ত সবগুলা প্রশ্ন যেন একবার টাচ করা হয়। ফার্স্ট টাচেই যা পারবা দাগায় নাও।তারপর কঠিনগুলো টাচ করো।দাগানোর সময় প্রতিবার প্রশ্নের নাম্বার এবং উত্তরের নাম্বার মিলায় নাও।এতে করে একটার উত্তর আরেকটাতে যাবে না। কয়টা দাগাবা সেটা ডিপেন্ড করবে প্রশ্নের ধরণের উপর।এটাই হচ্ছে চান্স পাওয়ার একটা অন্যতম টেকনিক।তুমি যদি বুঝে ফেলতে পারো এই প্রশ্নে কত পেলে তোমার জন্য পর্যাপ্ত তাহলে দাগানোটা তোমার জন্য সহজ।প্রশ্ন মোটামুটি সোজা হলে আশি-নব্বইটা দাগানো খারাপ না।সময় শেষে টিচারের ইন্সট্রাকশন মতো হল থেকে বের হয়ে এসো। সবার জন্য শুভ কামনা।আল্লাহ সহায়। একটা ভালো পরীক্ষার আগের ভালো ঘুম অনেক গুরুত্বপূর্ণ।আজকের দিনে রাত জাগা হারাম।বেস্ট অব লাক।

লিখা ঃ সাদিকুর তানভীর ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে

কৃতজ্ঞতাঃ জাফরুল শুভ

Comments Below

comments

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Pinterest
  • stumbleupon