img
Home / প্রযুক্তি কথন / সামস্যাং নোট ৮ এর কিছু না জানা ফিচার

সামস্যাং নোট ৮ এর কিছু না জানা ফিচার

/
/

আমরা  সামস্যাং গ্যালাক্সি নোট ৮ এর ব্যাপারে সব কিছুই জানি। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন যে, স্যামসাং তার এই স্মার্টফোনটির পর আর কোন বড় বা বেশি ব্যয়বহুল স্মার্টফোন তৈরি করবে না, তাহলে একটু ভেবে দেখুন। এই বছরের শুরুতে গ্যালাক্সি এস ৮ এর চমকপ্রদ এক্সপোজকে (২৫ ভাগে টুকরো করে ফেলা), উইনফিউচারের রোনাল্ড ফিরে আসার দিকে ইঙ্গিত করে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৮ এর বিশাল ৬.২ ইঞ্চি পর্দার এর উভয় পাশে প্রসারিত করার একটি উপায় খুঁজে পেয়েছে, যা এর প্রত্যাশিত মূল্য কেউ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে, (বর্তমান বাজার মূল্য $ ১,১০০)। উচ্চ মানের গ্যালাক্সি নোট ৮ এর জন্য কি কোন নামের তালিকা পাওয়া গেছে? কেউ এটিকে বলে ‘এম্পেরর সংস্করণ’। গ্যালাক্সি নোট ৮ এর স্ট্যান্ডার্ড সংস্করণে ৬৪ জিবি অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ রাখা হয়েছে। এটার দাম আর কত হবে? এই মুহূর্তে এর কোনও তথ্য নেই তবে এটি প্রযোজ্য: সীমিত সংস্করণের ১২৮ জিবি গ্যালাক্সি এস ৮ প্লাস যার মূল্যে ৮৫০ ডলার, সেটি স্যামসাং জুন মাসে বাজারে ছেড়েছিল এবং যা একবারে দাম বেড়ে প্রায় $ ১,১০০ ডলার (৭০,৯০০ রুপী) সমপরিমাণে চলে যায়। তাই গ্যালাক্সি নোট ৮ এর স্টোরেজ অনুযায়ী এটিকে চূড়ান্তভাবে চোখে পড়ার মত মূল্য নির্ধারণ করা দিবে। এখন দেখার বিষয় আমাদের বাংলাদেশে কি আমাদের চড়া মূল্য গুণতে হবে নাকি। তবে দাম যাই হোক ফিচার যদি চোখ ধাধিয়ে দেয় তাহলে, বিনা বাক্যে কিনে নেওয়ার মত অনেক সামস্যাং প্রেমি আছে।  এটা সম্ভবত ইউরোপ বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্যালাক্সি নোট ৮ এম্পেরর সংস্করণের খরচ সম্পর্কে অভিযোগ করার সুযোগ পাবে কারণ বর্তমানে এটি শুধুমাত্র এশিয়াতেই বাজারজাত করা হয়েছে। (এবং সম্ভবত ভারতে ১২৮ জিবি গ্যালাক্সি এস ৮ বাজারজাত করা হয়েছিল)। ব্যবহৃত গ্যালাক্সি নোট ৮ অবশ্যই পাওয়া যাবে, তবে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক মূল্যের আরও মার্কআপ করার আশা করা হবে।

নোট ৮
সামস্যাং নোট ৮

সংস্করণীয় কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে নতুন এই ফোনটিতে, আসলে গ্যালাক্সি নোট ৮ এম্পেরর সংস্করণটির র‍্যাম ৬ জিবি থেকে ৮ জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করবে না এর ফলে, স্মার্টফোনটির মূল্য কমে যেতে পারে। গ্যালাক্সি এস ৮ এর ১২৮ জিবি সংস্করণটির র‍্যাম ৪ জিবি থেকে ৬ জিবি পর্যন্ত বাড়িয়েছে, তবে স্যামসাং এর ধারণা এখন পর্যন্ত ৬ জিবি যথেষ্ট। অবশ্যই স্যামসাং এর সকল বিশেষ সংস্করণ মানসম্মত নয়। স্যামসাং একটি আদর্শ মেমোরি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যারা আইফোন ৭ এবং আইফোন ৭ প্লাস মধ্যে ব্যবহৃত ২৫৬ গিগাবাইট মডিউলগুলির বেশীরভাগই সরবরাহ করেছে। যদি তাই হয়, তবে তারা কেন তাদের নিজস্ব ফোনে ৬৪ জিবি স্টোরেজ এর বেশি ব্যবহার করছে না?

হ্যাঁ আমি বুঝতে পেরেছি যে মাইক্রো এসডি কার্ড রয়েছে, কিন্তু আলাদাভাবে ব্যবহৃত  মেমোরিটি ঠিক দ্রুত বা সাচ্ছ্যন্দের সাথে কাজ করবে না যেটি ফোনের মধ্যে স্থায়ী ভাবে ব্যবহৃত মেমোরির মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব। স্যামসাং সে সকল অবস্থার ভিত্তিতে  তাদের ফোনে সে ব্যবস্থা রাখেনি এবং এতে করে তারা দুটি বিশাল বাজারে বৃহৎ লভ্যাংশ আয় করছে। এইটা হয়ত ব্যাবসার একটি চালাকি হতে পারে।  স্যামসাং যতদিন এই ব্যবস্থা চালু রাখবে, অ্যাপল ঠিক উল্টোভাবে তাদেরকে পিছনে ফেলে এর থেকে উচ্চ মানের ফোন বাজারে এনে স্মার্টফোন এর বাজার ধ্বংস করে দিতে পারে। আইপ্যাড প্রো-তে এখনই ৫১২ জিবি রয়েছে এমনকি আইফোন ৮ ও দ্রুতি বাজারে চলে আসতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমি এটা সন্দেহ করছি যে, এটি একটি অন্য রকম প্রিমিয়াম মডেল যার মূল্য ইতিমধ্যে অনেক বেশি। তবে ফোনের বাজারে যাই ঘটুক না কেন, দু পক্ষের তোড়জোড়ে আমরা নতুন ফিচারযুক্ত মোবাইলে ফোনের সম্মুখীন হতে পারছি। যাতে করে প্রযুক্তির ছোয়া আমাদের খুব দ্রুতই আকৃষ্ট করে নিচ্ছে। এইটা নিঃসন্দেহে বলা বাংলাদেশ বর্তমানে মোবাইল ফোনের বড় একটি বাজার, যা সামস্যাং এবং আইফোন  বিনিয়োগ এর জন্য যথেষ্ট সম্ভাবনাময় ।

 

Comments Below

comments

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Pinterest
  • stumbleupon